‘এখানকার প্রাক্তনীরাই আসল ওজি’, এসআরসিসির শতবর্ষে জেন জি-র ভাষায় মোদি

Spread the love

শতবর্ষের মাইলফলকে পা দিল দিল্লির অন্যতম খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শ্রীরাম কলেজ অফ কমার্স। শিক্ষক দিবসের দিনেই আয়োজিত সেই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পড়ুয়া ও তরুণ প্রজন্মের ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বক্তব্যে উঠে এল প্রতিষ্ঠানের ১০০ বছরের পথচলা, ভবিষ্যতের ভারত এবং অবশ্যই জেন জি।

এসআরসিসির শতবর্ষ উদযাপনের মঞ্চে মোদির বক্তব্যের একটি শব্দ বিশেষভাবে নজর কাড়ে—‘ওজি’। তরুণদের বহুল ব্যবহৃত এই শব্দটিকেই ব্যবহার করে কলেজের প্রাক্তনীদের সাফল্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যের সারমর্ম, এসআরসিসি থেকে বেরিয়ে যাঁরা দেশ-বিদেশে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন, তাঁরাই প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ‘ওজি’।

শুধু প্রাক্তনীদের সাফল্য নয়, কলেজটির ইতিহাসও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, একসময় দরিয়াগঞ্জের ছোট পরিসর থেকে শুরু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি আজ বহু প্রজন্মের শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠাতা স্যার শ্রী রামের অবদানের কথাও শ্রদ্ধার সঙ্গে উল্লেখ করেন তিনি।

১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর এক শতকে এসআরসিসির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবসা এবং নীতি নির্ধারণের একাধিক ক্ষেত্র। আগামী ২৫ বছরে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে দেশের অগ্রগতিতে এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেন বলেও আশাবাদী মোদি।

এই অনুষ্ঠানে শুধুমাত্র বক্তৃতা নয়, তরুণদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। তাঁদের ভাবনা, স্বপ্ন এবং সমস্যার কথা শুনতে চান প্রধানমন্ত্রী। সেই ভাবনা থেকেই বিজেপির তরফে ‘জেন জি আউটরিচ’ কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে মেট্রো সফরেও তরুণদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে।

এসআরসিসির সঙ্গে মোদির সম্পর্কও নতুন নয়। ২০১৩ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন শেষবার এই প্রতিষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। দীর্ঘ ১৩ বছর পর শতবর্ষের অনুষ্ঠানে ফিরে এসে সেই পুরনো সফরের কথাও স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শতবর্ষ উদযাপনের আবহে আরও একটি বড় স্বীকৃতি পেয়েছে এসআরসিসি। জাতীয় কর্পোরেট গভর্নেন্স কেন্দ্র হিসেবে মর্যাদা পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে অভিনন্দন জানান মোদি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র কলেজ হিসেবে এসআরসিসির গুরুত্ব আরও বাড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে।

একশো বছরের ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়ে এবার সামনে আরও ২৫ বছরের লক্ষ্য। আর সেই ভবিষ্যৎ যাত্রায় দেশের তরুণ প্রজন্মকেই বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *