স্বাধীনতার আনন্দের ঠিক একদিন আগে মনে করা হোক দেশভাগের যন্ত্রণা। ১৪ আগস্ট রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালনের পরামর্শ দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি। রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে লোকভবন থেকে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বার্তা, ভারতের ইতিহাসের এই ‘অন্ধকার অধ্যায়’ নতুন প্রজন্মের জানা জরুরি। ১৯৪৭-এর দেশভাগে ছিন্নভিন্ন হয়েছিল বাংলা। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছিলেন, বহু মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের সেই ক্ষত বাংলার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক পরিসরেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
রাজ্যপালের মতে, শুধু স্বাধীনতার উৎসব করলেই হবে না। স্বাধীনতার ঠিক আগে যে দেশভাগের যন্ত্রণা নেমে এসেছিল, সেই ইতিহাসও মনে রাখা প্রয়োজন। দেশভাগের শিকার মানুষদের কথা জানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিভাজনের রাজনীতি ও শক্তি সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সতর্ক করাও জরুরি।
এদিকে ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজ্য সরকারেরও একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। ৯ থেকে ১৭ আগস্ট চলছে ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ কর্মসূচি। রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে প্রায় ৭০ হাজার জাতীয় পতাকা বিলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০ আগস্ট হবে বড় মিছিল। আকাশবাণী ভবনের সামনে নেতাজি মূর্তি থেকে বিড়লা তারামণ্ডলের ৭ নম্বর গেট পর্যন্ত মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও তাতে অংশ নেবেন বলে খবর।
তবে রাজ্যপালের পরামর্শ মেনে ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পৃথকভাবে ‘দেশ বিভাজন দিবস’ পালিত হবে কি না, এখনও তা স্পষ্ট নয়।


