দু’দিনের সফরে শনিবার উজবেকিস্তানে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাসখন্দ বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়য়েভ। বিমানবন্দরে মোদিকে আলিঙ্গন করে অভ্যর্থনা জানান তিনি। এরপর প্রোটোকল ভেঙে নিজের গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন শাভকাত। দুই রাষ্ট্রনেতার এই ‘গাড়ি কূটনীতি’র ছবি ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে।
সফরের দ্বিতীয় দিনে তাসখন্দে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। শাস্ত্রী মেমোরিয়াল পরিদর্শনের পাশাপাশি তাসখন্দ স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের মহাত্মা গান্ধী সেন্টারেও যাবেন মোদি।
এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরজিয়য়েভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, ডিজিটাল সংযোগ, জ্বালানি এবং শিক্ষা—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ভারত-উজবেকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়েও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হবে।
উজবেকিস্তান সফর শেষে কিরগিজস্তানের উদ্দেশে রওনা দেবেন মোদি। সেখানে ২৬তম সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি মোদির চতুর্থ উজবেকিস্তান সফর। এর আগে ২০২২ সালে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তাসখন্দে গিয়েছিলেন তিনি। এবারের সফরের মাধ্যমে মধ্য এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে নতুন গতি দেওয়াই নয়াদিল্লির অন্যতম লক্ষ্য।


