আজ গণেশ চতুর্থী। বিঘ্নহর্তা, সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনায় সকাল থেকেই দেশজুড়ে উৎসবের আবহ। বাড়ি থেকে মন্দির, সর্বত্রই চলছে গণপতির পুজো। নতুন পোশাকে সেজে উঠেছেন ভক্তরা, নানা রঙের ফুল, ধূপ-ধুনো ও নৈবেদ্যে সাজানো হয়েছে পুজোর আয়োজন।
হিন্দু ধর্মে গণেশ চতুর্থীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, এই দিনেই মর্ত্যে আবির্ভাব ঘটে দেবী পার্বতী ও মহাদেবের পুত্র গণেশের। জ্ঞান, বুদ্ধি, সৌভাগ্য এবং সাফল্যের দেবতা হিসেবে গণেশের আরাধনা করেন ভক্তরা। যে কোনও শুভ কাজের আগে গণেশ পুজোর প্রথাও সেই বিশ্বাসেরই অংশ।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসবের রূপ আলাদা হলেও ভক্তির আবেগ এক। বিশেষ করে মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, গুজরাট, গোয়া এবং দেশের বিভিন্ন শহরে গণেশ উৎসবকে কেন্দ্র করে দেখা যায় ব্যাপক উন্মাদনা। বড় বড় প্যান্ডেলে প্রতিষ্ঠা করা হয় গণেশের প্রতিমা। আগামী কয়েক দিন ধরে চলবে পুজো, আরতি, প্রসাদ বিতরণ এবং নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
গণেশ চতুর্থী শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, অনেকের কাছেই এটি নতুন শুরুর প্রতীক। সংসারের বাধা দূর হোক, জীবনে আসুক সুখ-সমৃদ্ধি ও সাফল্য—এই প্রার্থনাতেই আজ সিদ্ধিদাতার চরণে মাথা নত করছেন ভক্তরা।
ভক্তদের কণ্ঠে আজ একটাই ধ্বনি—গণপতি বাপ্পা মোরিয়া!


