ই-২০ পেট্রল নিয়ে আতঙ্কের মাঝেই বড় বার্তা, ‘শত শত পিপিএম ক্লোরাইড’-এর দাবি নস্যাৎ তেল সংস্থার

Spread the love

ই-২০ পেট্রল নিয়ে কি সত্যিই বিপদ? গাড়ির ইঞ্জিনে ক্ষতি করবে ইথানল-মিশ্রিত এই জ্বালানি? গত কয়েকদিনের বিতর্কের জেরে এমন প্রশ্নই উঠছিল। এবার সেই আশঙ্কায় সরাসরি জল ঢালল রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। তাদের দাবি, ই-২০ পেট্রলে মাত্রাতিরিক্ত ক্লোরাইড বা দূষণের কোনও প্রমাণই পরীক্ষায় মেলেনি।

তেল সংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, শোধনাগার থেকে ইথানল উৎপাদন কেন্দ্র, এমনকী পেট্রল পাম্প—বিভিন্ন জায়গা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও জ্বালানি দূষণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পরীক্ষিত নমুনায় ক্লোরাইডের মাত্রা ছিল ১ পিপিএম বা তারও কম।

ডিস্টিলারি থেকে আসা বিশুদ্ধ ইথানলের নমুনাও পরীক্ষা করা হয়েছে। সেখানেও ক্লোরাইডের মাত্রা ৩ পিপিএম-এর নিচে বলে জানিয়েছে সংস্থাগুলি। ফলে ই-২০ পেট্রলে কয়েকশো পিপিএম ক্লোরাইড থাকার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা কার্যত নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ, ই-২০ পেট্রল ব্যবহার করলেই গাড়ির ক্ষতি হবে—এমন কোনও প্রমাণ এখনও পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি বলেই স্পষ্ট করেছে তেল সংস্থাগুলি। জ্বালানির গুণমানও নির্ধারিত মানের মধ্যেই রয়েছে বলে তাদের দাবি।

বিদেশি তেলের উপর নির্ভরতা কমাতে দীর্ঘদিন ধরেই ইথানল মিশ্রিত জ্বালানির উপর জোর দিচ্ছে মোদি সরকার। আখ, ভুট্টার মতো কৃষিজ পণ্য থেকে তৈরি ইথানল পেট্রলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামী দিনে জ্বালানি ক্ষেত্রে ইথানলের ব্যবহার আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের।

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিকল্প জ্বালানির গুরুত্বও বেড়েছে। সেই আবহে ই-২০ নিয়ে তেল সংস্থাগুলির এই বার্তা—‘আতঙ্কের কারণ নেই’—গাড়িচালকদের জন্য নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তি।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *