ভোটে ‘হার মানতে নারাজ’ মমতা! গণনায় কারচুপির বিস্ফোরক অভিযোগ, কমিশন-বিজেপি আঁতাতের ইঙ্গিত

Spread the love

ভবানীপুরে বড় ব্যবধানে পরাজয়, তবু দাবি—“আমরা হারিনি, জোর করে হারানো হয়েছে”; গণনাকেন্দ্রে হামলা, ফর্ম ১৭সি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ । ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সূচনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভরাডুবির মুখে পড়েও তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—“এই হার আসল হার নয়, আমাদের জোর করে হারানো হয়েছে।”

মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, গণনাকেন্দ্রে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে, ফর্ম ১৭সি কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং পরিকল্পিতভাবে ফল ঘোরানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “ওরা এমনি জিতলে কিছু বলার থাকত না। কিন্তু অত্যাচার করে, মিথ্যা বলে জিতেছে।”

শুধু তাই নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগও তোলেন তিনি। দাবি করেন, “আমার কর্মীদের মেরেছে, মহিলাদেরও ছাড়েনি। আমাকে পর্যন্ত ম্যানহ্যান্ডেল করা হয়েছে।” এই ঘটনাকে তিনি গণতন্ত্রের উপর ‘সরাসরি আঘাত’ বলে উল্লেখ করেন।

নিজের গড় ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় ১৫ হাজার ভোটে শুভেন্দু অধিকারী-র কাছে পরাজিত হন মমতা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানটান লড়াইয়ের পর ফল ঘুরে যাওয়ায় তিনি কারচুপির অভিযোগ আরও জোরালো করেন।

এদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি-র বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “কমিশন বিজেপির কথায় খেলেছে।” একইসঙ্গে ইস্তফা দেওয়ার দাবি উড়িয়ে দিয়ে স্পষ্ট বার্তা—“জোর করে কেউ ইস্তফা নিতে পারবে না।”

এই বিস্ফোরক অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এখন নজর, নির্বাচন কমিশন বা আদালত এই অভিযোগগুলোর কীভাবে মোকাবিলা করে।


Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *