তৃণমূলের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা চিকিৎসক শশী পাঁজার সঙ্গে এনসিপিআই সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শনিবার কালীঘাটে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ফার্টিলিটি ক্লিনিকে যান শশী পাঁজা। দীর্ঘক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হয় বলে সূত্রের খবর।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর কার্যত জনসমক্ষে দেখা যায়নি শশী পাঁজাকে। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ কাকলির চেম্বারে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলেছে। যদিও শশী পাঁজার দাবি, তিনি ব্যক্তিগত কারণেই সেখানে গিয়েছিলেন।
বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-মন্ত্রী দল ছাড়েন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহিলা নেতৃত্বের অন্যতম মুখ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ইতিমধ্যেই এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। পরে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও কৃষ্ণা চক্রবর্তীও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল’ তৃণমূলে যোগ দেন। ফলে মমতার একসময়ের মহিলা ব্রিগেডের শেষ পরিচিত মুখ শশী পাঁজার এই সাক্ষাৎকে ঘিরে দলবদলের জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।
তবে শশী পাঁজা এখনও পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানাননি। তাঁর এই সাক্ষাৎ নিছক ব্যক্তিগত, নাকি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত—তা নিয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক মহল অবশ্য পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে।


